Last Updated on 12/07/2026 by সাব-রেজিস্ট্রার শাহাজাহান আলী পিএএ
ট্রাস্ট দলিল রেজিস্ট্রি খরচ নিম্নরূপ-
রেজিস্ট্রেশন ফিসঃ
১। দলিলে লিখিত সম্পত্তির মূল্য ৪০০০ টাকা পর্যন্ত হলে মূল্যের ১%, তবে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা।
২। দলিলে লিখিত সম্পত্তির মূল্য ৪০০০ টাকার বেশি হলে- ২৫০০ টাকা।
রেজিস্ট্রেশন ফি এর অর্থ স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ জমা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
স্টাম্প শুল্কঃ উইল বা ইচ্ছাপত্র ব্যতীত লিখিতভাবে কোন সম্পত্তির ট্রাস্ট ঘোষণা হলে- দলিলে সম্পত্তির প্রদর্শিত মূল্যের সমপরিমান অংক বা মূল্যের ০.১% টাকা তবে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা (স্টাম্প আইনের ১ নম্বর তফশিলের ৬৩ (এ) নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে)।
দলিলে সর্বোচ্চ ১২০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্টাম্প ব্যবহার করা যাবে। স্টাম্প খাতের বাকি অর্থ স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ জমা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
স্থানীয় সরকার করঃ ট্রাস্ট দলিলটি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে স্থানীয় সরকার কর পরিশোধ করতে হবে। দলিলে বর্ণিত সম্পত্তি সিটি কর্পোরেশন এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর অধীন সম্পত্তি না হলে, হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ৩% টাকা, সিটি কর্পোরেশন ভুক্ত সম্পত্তির হলে হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ২% টাকা এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর অধীন সম্পত্তি হলে হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের হলে ২% টাকা।
(স্থানীয় সরকার করের পরিমাণ ১০০ টাকা বা তার কম হলে নগদ অর্থে এবং ১০০ টাকার বেশি হলে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক পিএলসি এর পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
উৎস করঃ ট্রাস্ট দলিলটি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে উৎস কর (ধারা ১২৫) পরিশোধ করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে উৎস করের হিসাব বুঝা কিছুটা জটিল। আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা- ১২৫ অনুসারে উৎস কর আদায় করা হয়। ধারা ১২৫ এর কর আদায়ের জন্য সরকার উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৬ জারি করেছে। উৎস করের হার সকল স্থানের জমি, প্লট, বাড়ি বা ফ্লাটের ক্ষেত্রে একরূপ নয়। সারা দেশের সকল স্থানকে অনেকগুলো ভাগে ভাগ করে প্রত্যেক এলাকার জন্য পৃথকভাবে উৎস কর নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই আপনার জমি, প্লট, বাড়ি বা ফ্লাট নিচের কোন তফসিলের অন্তর্ভুক্ত তা ভালভাবে পড়ে নিয়ে উৎস কর কত হবে তা নির্ধারণ করুন।
উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৬_০৫-০৭-২০২৬_সংশোধিত_দলিল রেজিস্ট্রি বিষয়ক অংশ
উৎস করের অর্থ ‘এ চালান’ এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
এছাড়াও ট্রাস্ট দলিল রেজিস্ট্রি করতে যা যা লাগবে তা হচ্ছে-
১। ট্রাস্ট দলিলটি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে ৩০০ টাকার স্টাম্পে হলফনামা।
২। ট্রাস্ট দলিলটি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে ই- ফিঃ- ১০০ টাকা।
৩। ঢ- ফিঃ- দলিলের প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা
৪। (নকলনবিশগনের পারিশ্রমিক) ঢঢ ফিঃ- দলিলের প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা
গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যঃ
১। এন (ঢ)-ফিস ও ই-ফিস, রেজিস্ট্রেশন ফি এর সাথে একত্রে পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ জমা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
২। ট্রাস্ট দলিলটি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে সরকার নির্ধারিত হলফনামা ৩০০ টাকার স্টাম্পে প্রিন্ট করে মূল দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
৩।এনএন (ঢঢ)- ফি নগদে রেজিস্ট্রি অফিসে জমা করতে হবে।
৪। স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ এর ৫ ধারায় ‘একাধিক স্বতন্ত্র বিষয়-সম্পর্কিত দলিল’ সম্বন্ধে বলা হয়েছে, “একাধিক স্বতন্ত্র বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত বা সংশ্লিষ্ট কোনো দলিলের ক্ষেত্রে, এই আইনের অধীনে প্রতিটি বিষয় পৃথক দলিলে অন্তর্ভুক্ত হলে যে পরিমাণ শুল্ক প্রযোজ্য হতো, সেই সকল শুল্কের মোট পরিমাণ উক্ত দলিলের ওপর আরোপযোগ্য হবে।”
অর্থ মন্ত্রনালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বিএসইসি ও বিআইসিএম শাখার গত ৯ জুলাই, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখের নং- ৫৩.০০.০০০০.৪২২.৯৯.০০৩.১৫-১০ স্মারকের মাধ্যমে সহকারী সচিব জনাব মোঃ মখফার উদ্দিন খোকন স্বাক্ষরিত; মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন বরাবর প্রেরিত পত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত Collective investment Scheme/Mutual Funds এর ট্রাস্ট দলিল রেজিস্ট্রির উপর আরোপনীয় সমুদয় স্টাম্প শুল্ক মওকুফ করেছে।


এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, অসহায়/ দুঃস্থদের সেবা, চিকিৎসা ইত্যাদি ধর্মীয় ও সমাজিক কাজে নিয়মিত অর্থ সাহায্যের জন্য ইচ্ছে পোষণ করে, পরিবারের সকল সদস্যদের সমন্বয়ে ট্রাষ্ট গঠন কারার নিমিত্তে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি / (জমি) রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া কোনো সংস্থা ( যেমন সমাজসেবা অধিদপ্তর) থেকে অনুমোদনের প্রয়োজন পড়ে কি না?
(২)ট্রাষ্টের সম্পত্তির রেজিষ্ট্রেশন দলিলের কপি দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলা যায় কি না?
(৩) ট্রাষ্টের নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে আর অন্য কোনো সংস্থার ছাড়পত্র লাগে কিনা।