Last Updated on 02/09/2026 by সাব-রেজিস্ট্রার শাহাজাহান আলী পিএএ
রেজিস্ট্রেশন ফিঃ হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ১% টাকা। (দলিলের মূল্য ২৪,০০০ টাকা বা তার কম হলে নগদ অর্থে এবং ২৪,০০০ টাকার বেশি হলে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে জমা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।)
স্টাম্প শুল্কঃ ১। যে কোনো সম্পত্তি যা দেওয়ানি বা রাজস্ব আদালত, কালেক্টর বা অন্যান্য রাজস্ব কর্মকর্তার মাধ্যমে সর্বজনীন নিলামে বিক্রি করা হয়েছে, এক্ষেত্রে স্টাম্প শুল্ক নিলাম মূল্যের- ১.৫০% টাকা। (১৮৯৯ সালের স্টাম্প আইনের ১ নম্বর তফশিলের ১৮ নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে)।
ব্যতিক্রমঃ যেক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭, ১৯৭৩) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের নিকট বন্ধক রাখা কোনো গৃহ, দেওয়ানি আদালত বা অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের আইন নং ৮) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত অর্থ ঋণ আদালত অথবা রাজস্ব আদালত বা কালেক্টর বা অন্য কোনো রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পরিচালিত প্রকাশ্য নিলামে উক্ত কর্পোরেশন কর্তৃক ক্রয় করা হয়, সে ক্ষেত্রে উক্ত কর্পোরেশন কর্তৃক কোনো প্রকার স্ট্যাম্প শুল্ক প্রদান করতে হইবে না।
দলিলে সর্বোচ্চ ১২০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্টাম্প ব্যবহার করা যাবে। স্টাম্প খাতের বাকি টাকা স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ জমা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ এর তফসীল-১
স্থানীয় সরকার করঃ সিটি কর্পোরেশন এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর অধীন সম্পত্তি না হলে, হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ৩% টাকা, সিটি কর্পোরেশন ভুক্ত সম্পত্তির হলে হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ২% টাকা এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর অধীন সম্পত্তি হলে হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের হলে ২% টাকা।
(স্থানীয় সরকার করের পরিমাণ ১০০ টাকা বা তার কম হলে নগদ অর্থে এবং ১০০ টাকার বেশি হলে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হিসাব নম্বরে পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা করতে হবে।)
উৎস কর (ধারা ১২৫): দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে উৎস করের হিসাব বুঝা কিছুটা জটিল। আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা- ১২৫ অনুসারে উৎস কর আদায় করা হয়। ধারা ১২৫ এর কর আদায়ের জন্য সরকার উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৬ জারি করেছে। সর্বশেষ ৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখে উৎস কর বিধিমালা, ২০২৬ এর সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। উৎস করের হার সকল স্থানের জমি, প্লট, বাড়ি বা ফ্লাটের ক্ষেত্রে একরূপ নয়। সারা দেশের সকল স্থানকে অনেকগুলো ভাগে ভাগ করে প্রত্যেক এলাকার জন্য পৃথকভাবে উৎস কর নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই আপনার জমি, প্লট, বাড়ি বা ফ্লাট নিচের উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৬ এর কোন তফসিলের অন্তর্ভুক্ত তা ভালভাবে পড়ে নিয়ে উৎস কর কত হবে তা নির্ধারণ করুন। উৎস করের ‘এ চালানের’ মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৬_০৫-০৭-২০২৬_সংশোধিত_দলিল রেজিস্ট্রি বিষয়ক অংশ
পুরাতন উৎস কর বিধিমালাসমূহ পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
এছাড়া এই দলিল রেজিস্ট্রিতে যা যা লাগবে-
১। ৩০০ টাকার স্টাম্পে হলফনামা।
২। ই- ফিঃ- ১০০ টাকা।
৩। এন- ফিঃ- দলিলের প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা
৪। নকলনবিশগনের পারিশ্রমিক এনএন ফিসঃ- দলিলের প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা
৫। সম্পত্তি হস্তান্তর নোটিশের আবেদনপত্রে ১০ টাকা মূল্যের কোর্ট ফি।
মন্তব্যঃ-
১। এন- ফি ও ই- ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি এর সাথে একত্রে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
২। এনএন- ফি নগদে রেজিস্ট্রি অফিসে জমা করতে হবে।
৩। সরকার নির্ধারিত হলফনামা ৩০০ টাকার স্টাম্পে প্রিন্ট করে মূল দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা- ৩৩ এর উপধারা- (৮)-এ বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (৭) এর অধীনে জারীকৃত সনদপত্র বাবদ কোন কর বা রেজিষ্ট্রেশন ফি আদায়যোগ্য হইবে না৷ অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা ৩৩ পড়তে এখানে ক্লিক করুন।


ভূমি রেজিষ্ট্রেশনে আয়কর ক্রেতা না বিক্রেতা বহন করবে?
I want to know about sale certificate. Would you please describe in brief.
মৌজা রেট হিসাবটা বুঝিনা যদি িএকটু ব্যাখ্যা করেন উপকার হবে।
মৌজা রেট হিসাবটা বুঝিনা যদি িএকটু ব্যাখ্যা করেন উপকার হবে।
স্যার, আপনি উত্তর গুলো খুব উচু মানের। আপনার লেখা ২০২৩- ২০২৪ লেখা কোন বই আছে? ক্রয় করার জন্য।